📅 Loading... | লোড হচ্ছে... | লোড হচ্ছে...

Bangladesh Insiders

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি
তারিখ সিলেক্ট করুন
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৩০

মিথ্যা মামলায় হানিফের ফাঁসির রায়, ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে কুষ্টিয়ার মানুষ!

 

বাংলাদেশ ইনসাইডার্স | নিজস্ব প্রতিবেদন

 

কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া। রায়টিকে অন্যায় ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করছেন হানিফের সমর্থকরা। তাঁদের ভাষ্য, এই রায় ন্যায়বিচার নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুব-উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই মামলায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা—এই তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের পাশাপাশি আসামিদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

 

রায় নিয়ে প্রশ্ন ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

হানিফের সমর্থকদের দাবি, মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়া ও রায়ের ন্যায্যতা নিয়ে নিরপেক্ষ পর্যালোচনা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় বা অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে প্রত্যেক আসামির ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

 

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ছিল, ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে উসকানি ও সহায়তা এবং ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনায় আসামিদের সংশ্লিষ্টতা ছিল। এসব অভিযোগের বিচারিক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করেছেন।

 

ন্যায়বিচার নিয়ে বিতর্ক

হানিফের সমর্থকদের কাছে এই রায় গভীর হতাশা ও ক্ষোভের বিষয়। তাঁরা প্রত্যাখ্যানের কথা বলছেন।দাবি করছেন এই রায় সাজানো।

বিচারিক রায়ের বিরুদ্ধে আপিলসহ আইনসম্মত প্রতিকারের সুযোগ এবং মামলার নথি ও যুক্তির নিরপেক্ষ মূল্যায়নই এখন গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে সত্য উদ্‌ঘাটন, স্বচ্ছ বিচারপ্রক্রিয়া এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য।

শেয়ার করে অন্যদের জানান