সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর-লুটের অভিযোগ, নিজের পছন্দের রাজনৈতিক বলয়ের বিরুদ্ধেই এবার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাদেশ ইনসাইডার্স
রাজনৈতিক অবস্থান, পক্ষ-বিপক্ষ এবং সময়ের পরিবর্তন—সবকিছুর হিসাব কখনো কখনো নিজের জীবনেই ফিরে আসে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনই নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে একদল লোক হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্টুডিওর কর্মকর্তাদের দাবি, হামলাকারীদের কয়েকজনের হাতে অস্ত্র ছিল এবং তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগও নিয়ে যায়।
সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, বিএনপির লোকজন তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পরই প্রতিশোধ হিসেবে স্টুডিওতে হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে তাঁর এই অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট কোনো নেতা বা কর্মীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
ঘটনাটি নতুন করে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। অতীতে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান বা বক্তব্যের কারণে যারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের প্রতি সমর্থন বা সহানুভূতি দেখিয়েছেন, সময়ের পালাবদলে সেই বলয়েরই কিছু কর্মকাণ্ড যখন তাদের নিজেদের ওপর আঘাত হিসেবে ফিরে আসে—তখন রাজনৈতিক অবস্থানের হিসাব-নিকাশ নিসালমান মুক্তাদির নিজেও এক ফেসবুক লাইভে বলেছেন, তাঁর স্টুডিও ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে তিনি সৃজনশীল কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং হামলার ঘটনায় মামলা করার কথা জানিয়েছেন।